- মুক্তাঙ্গন - http://nirmanblog.com -

লাতিন ভাষার কথা : ৪৫

Tore Janson-এর সুইডিশ ভাষায় রচিত Latin: Kulturen, historien, språket গ্রন্থের Merethe Damsgård Sørensen ও Nigel Vincet-কৃত ইংরেজি অনুবাদ A Natural History of Latin-এর বাংলা ভাষান্তর

 

লিনীয়াস ও লাতিন

বনের মধ্যে ‘Anemóne nemorósa’ ভরা একটা ফাঁকা জায়গা দেখে আপনার হৃদয় উদ্বেলিত হয়ে উঠতে পারে। একটি ‘Motacilla alba’ দেখে আপনি হঠাৎ কেঁপে উঠতে পারেন, কিন্তু একেবারে আচমকা যদি আপনার সামনে একটা ‘Ursus arctos’ এসে উদয় হয়, সেক্ষেত্রে আপনার মানে মানে সরে পড়াই বোধ হয় ভালো হবে।

এগুলো হচ্ছে, যথাক্রমে, বায়ু-পরাগী এক ধরনের বিশেষ ফুল, ল্যাজ নাচানে খঞ্জনা পাখি আর বাদামি ভল্লুকের লাতিন নাম। উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণীবিদ্যায় প্রতিটি প্রজাতিরই লাতিন নাম রয়েছে। আজ আমরা ওপরের ওরকম সাদামাটা ইংরেজি টেক্সটে নামগুলো ব্যবহার করি না বললেই চলে, কিন্তু উদ্ভিদ বিজ্ঞানী আর জীববিজ্ঞানীরা যে কোনো পরিস্থিতিতেই পরস্পরের সঙ্গে আলাপ বা যোগাযোগ করুন না কেন তাঁরা এই প্রজাতিগুলোর কথা বলতে গেলে সেগুলোর লাতিন নামই উল্লেখ করেন। নামটাই যে কেবল লাতিন, তা নয়; প্রতিটি প্রজাতির আনুষ্ঠানিক বর্ণনাও হতে হবে লাতিনে। কেউ কোনো নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করলে তাঁকে এরকম একটা বর্ণনা লিখে প্রকাশ করতে হবে। এসব বিজ্ঞানে লাতিনের এখনো একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক উপযোগিতা রয়েছে।

এই পরিস্থিতির ঐতিহাসিক ব্যাখ্যার সঙ্গে চিকিৎসাশাস্ত্রের ঐতিহ্যের একটা বড় সম্পর্ক রয়েছে, যা আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। বহু বছর ধরে ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এবং স্বারস্বত জগতের লোকজনের মধ্যে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সেরকম গুরুত্ব পায়নি। প্রাণী ও উদ্ভিদ নিয়ে চিকিৎসকেরা গবেষণা করতেন আসলে চিকিৎসাশাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সেগুলোর সম্ভাব্য প্রয়োগের জন্য। কাজেই লাতিন ব্যবহারের ঐতিহ্য এসব বিজ্ঞানে ততোটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যতোটা সেটা চিকিৎসাশাস্ত্রে শক্তিশালী হয়েছিল।

সে যাই হোক, অষ্টাদশ শতকে, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে এবং চিকিৎসাশাস্ত্র নির্ভরতা কাটিয়ে উঠে আত্মপরিচয় খুঁজে পায়। এক্ষেত্রে যাঁরা পথিকৃৎ ছিলেন তাঁদের অন্যতম হচ্ছেন কার্ল ভন লিনে (Carl von Linné) নামে সুইডেনের এক অধিবাসী, যাঁর নাম গোটা বিশ্বে সাধারণত, এবং অত্যন্ত যথার্থভাবেই, সেটার লাতিন রূপ ‘লিনীয়াস’ (Linnaeus) হিসেবে সুপরিচিত, অন্তত তাঁদের কাছে যাঁরা এই ক্ষেত্রটির ব্যাপারে আগ্রহী। লিনীয়াস ছিলেন দক্ষিণ সুইডেনের স্মালান্ড-এর এক যাজকপুত্র। বিদেশে পা বাড়াবার আগে তিনি লুন্ড এবং উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৭৩৫ খৃষ্টাব্দে তিনি হল্যান্ড যান, এবং সেখানে তিনি চিকিৎসাশাস্ত্রে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন; পরে সেখানেই উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ক তাঁর বেশ কয়েকটি পথপ্রদর্শনকারী গ্রন্থ দ্রুত প্রকাশিত হয় একের পর এক। সবগুলোই লেখা হয়েছিল লাতিনে। সুইডিশ ছাড়া ওই একটি ভাষাই আত্মস্থ করেছিলেন লিনীয়াস, এবং তাঁর যুগের যেকোনো বিজ্ঞানীর মতো তাঁর পেশাগত জীবনেও সেটি একটি প্রয়োজনীয় ভিত্তি রচনা করেছিল। অন্য আর কোনো ভাষা দরকার হয়নি তাঁর, কারণ তিনি এটা নিশ্চিতভাবেই ধরে নিতে পেরেছিলেন যে, যে-কোনো ধরনের বিজ্ঞানের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ মানুষ মাত্রই লাতিন পাঠে সক্ষম হবেন।

লিনীয়াস ছিলেন একজন জাঁদরেল “প্রণালীবদ্ধকারী” – সব জীবন্ত প্রজাতিকে তিনি একটি সুসমন্বিত উচ্চনীচভেদভিত্তিক শ্রেণীকরণের ভেতর আনতে চেয়েছিলেন। বেশ কিছু প্রজাতিকে একটি বর্গ বা ‘genus’ (বহুবচন, genera, যার আক্ষরিক মানে ‘kind’ বা ‘sort’)-এ আওতাভুক্ত করা হয়। এক গুচ্ছ ‘genera’ আবার একত্রিত করা হয় বৃহত্তর একটি দলে যার নাম ‘বিন্যাস’ বা ‘order’ (লাতিনে, ordo), এক দল ‘অর্ডার’ মিলে হয় একটা ‘class’, (শ্রেণী), আর সব শেষে, অনেকগুলো শ্রেণী মিলে একটি রাজ্য। এই সুদূর-ছাওয়া প্রণালীতে প্রতিটি প্রজাতির জন্য-ই সেটির সুনির্দিষ্ট স্থান রয়েছে যা আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য আজও ব্যবহার করি (যদিও সেগুলোর কিছু খুঁটিনাটি লিনীয়াসের সময় হতে পরিবর্তন পরিবর্ধন করা হয়েছে)। এই যেমন, বৃহৎ টিট (Parus major) Titmus (Paridae) বর্গভুক্ত যা কিনা Passeriformes দলে পড়ে, যা আবার পক্ষী (Aves) শ্রেণীর একটি উপদল, যা নিজে আবার বৃহত্তর মেরুদণ্ডী শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। আর সবার ওপরে রয়েছে জীব-জন্তু/প্রাণী (regnum animalium) নামের রাজ্য। এধরনের পরিকল্পনা বা স্কীম যে কেবল লিনীয়াসই দাঁড় করিয়েছেন, তা নয়, কিন্তু তিনি ছিলেন এক মহৎ শ্রেণীবিন্যাসকারী ও নামকারক, এবং তাঁর প্রবর্তিত প্রণালীটিই ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।

উদ্ভিদের বেলায় তাঁর মহৎ কীর্তি হচ্ছে তথাকথিত সেক্সুয়াল সিস্টেম। ব্যাপারটা হলো উদ্ভিদ্গুলোকে সেগুলোর রিপ্রোডাক্টিভ অরগ্যানগুলো দেখে, বা আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে ফুলটির কতগুলো পুংকেশর আর গর্ভকেশর রয়েছে তাই দেখে সেগুলোর শ্রেণীকরণ করা। এগুলো খুব সহজ-সরল মানদণ্ড, যা লিনীয়াসের আগে উদ্ভিদবিদেরা শ্রেণীকরণের নামে যে হযবরল করেছিলেন তাতে একটা শৃঙ্খলা নিয়ে এলো। এখন অবশ্য সেক্সুয়াল সিস্টেমটা বাদ দেয়া হয়েছে, কারণ দীর্ঘদিন ধরে দেখা গেছে যে, এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে এলোমেলো ভাবে একেবারে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের নানান উদ্ভিদ এক কাতারে এসে হাজির হয়। ফলে, অন্য ধরনের কিছু মানদণ্ড গৃহীত হয়েছে। এছাড়াও, শ্রেণী বা বর্গীকরণের বর্তমান প্রণালীর পুরো ভিত্তিটাই টল্টলায়মান, কারণ, বিভিন্ন প্রজাতির ডিএনএ-র মধ্যে কতটা মিল আছে বা না আছে তাই পরিমাপ করতে শুরু করেছেন এখন বিজ্ঞানীরা, আর তাতে করে তাঁরা যে ফল লাভ করছেন তা প্রতিষ্ঠিত সত্যের চাইতে অনেক ভিন্ন বলে প্রতিপন্ন হচ্ছে।

তারপরেও, লিনীয়াসের অনেক কীর্তিই এখনো বহাল তবিয়তে টিকে রয়েছে, যার মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তাঁর নামকরণের পদ্ধতি, এখনো যা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কি করে নামকরণ করতে হবে তা লিনীয়াসের আগে মোটেই পরিষ্কার ছিল না; তাছাড়া, প্রজাতির ধারণাও ছিল বিতর্কিত। লিনীয়াস এ-ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন যে প্রতিটি জীবন্ত প্রাণী ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত, এবং নিজের জন্য তিনি যেসব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন তা হলো প্রতিটি প্রজাতিকে একটি সহজবোধ্য নাম দেয়া। ১৭৫০ খৃষ্টাব্দে তিনি সেসময় অব্দি পরিচিত সব উদ্ভিদ ও প্রাণীর নামসহ বর্ণনা প্রকাশ করলেন, লাতিন ভাষায় অবশ্যই, এবং কয়েকটি ব্যতিক্রম বাদ দিলে সব নামই এখনো কার্যকর রয়েছে। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে তারপর অনেক নতুন প্রজাতিই আবিষ্কৃত হয়েছে, কিন্তু সেগুলোর নামও রাখা হয়েছে লিনীয়াস-নির্দেশিত নীতি অনুসরণ করেই। সে-নীতি অনুযায়ী, নামটিকে অবশ্যই লাতিন হতে হবে, এবং তাতে দুটো শব্দ থাকতে হবে — তথাকথিত বাইনমিয়াল পদ্ধতি। প্রথম শব্দটা বিশেষ্য, যা একই পরিবারভুক্ত সব প্রজাতির জন্য প্রযোজ্য (যাকে বলে জেনেরিক নেইম বা বর্গীয় নাম)। যেখানে সম্ভব হয়েছে, লিনীয়াস প্রচলিত বা বিদ্যমান লাতিন নামই ব্যবহার করেছেন: ‘ursus’ মানে — লাতিন ভাষায় — ‘ভালুক’, এবং ‘motacilla’ মানে ‘দোয়েল বা খঞ্জনা’। ‘anemone’ শব্দটা গ্রীক ‘ফুল’-এর লাতিন সংস্করণ। দ্বিতীয় শব্দটি প্রথমটির গুণবাচক, এবং সেটাকে বলা হয় ‘নির্দিষ্ট নাম’। প্রায়শই সেটি একটি লাতিন বিশেষণ, ‘Motacilla flava’-তে যেমন, যার আক্ষরিক অর্থ ‘শ্বেত খঞ্জনা’। গুণবাচক শব্দটি খঞ্জনাটিকে সেটার স্বজনদের কাছ থেকে আলাদা করে, যেমন ‘হলুদ খঞ্জনা’ (Motacilla flava), এবং ‘ধূসর খঞ্জনা’ ‘Motacilla cinéra’, আক্ষরিক অর্থে ছাই-রঙ খঞ্জনা।

‘wood anemone’-এর নামের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একই রকম, ‘Anemone nemorosa’, আক্ষরিক অর্থে, ‘grove anemone’। বিশেষণ ‘nemorosus’ এসেছে ‘nemus’ বা, ‘কুঞ্জবন’ থেকে এবং অর্থ ‘কুঞ্জবনের’ বা, স্রেফ ‘কুঞ্জবন’, যা বিশেষণাত্মক। গুণবাচক শব্দটি সেটাকে এই যেমন ‘Anemone sylvestris’ — আক্ষরিক অর্থে ‘উড এনিমন’ — থেকে পৃথক করে (বিশেষণ sylvestris — যা বিকল্প বানানে ‘silvestris’-ও লেখা হয় — এসেছে ‘silva’, মানে ‘বন’ থেকে), যেটাকে ইংরেজিতে মাঝে মাঝে ‘snowdrop anemone’-ও বলা হয়। জনপ্রিয় নামগুলো থেকে যে বিভ্রান্তির জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং যা স্থানভেদে ভিন্ন হয়, তা একটি স্বচ্ছ ও সুসম্বদ্ধ নামকরণ পদ্ধতিকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় করে তোলে। একটি বিখ্যাত উদাহরণ হচ্ছে ‘robin’ শব্দটি, যা কিনা ব্রিটেনের ‘Erithacus robicula’-কে বোঝায়, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বোঝায় ‘Turdus migratorius’-কে।

বাদামী ভালুকের ক্ষেত্রে, দ্বিতীয় নামটাও একটি বিশেষ্য, ‘arctos’, যা কিনা গ্রীক ভালুকের লাতিন রূপ। ‘Urus arctos’ নামটার মানে আসলে ‘ভালুক ভালুক’। খুব একটা তথ্যবহুল বলে মনে না-ও হতে পারে লোকের কাছে, কিন্তু বিশেষ এই নামটা এখনো এই অর্থে একটা উদ্দেশ্য সাধন করে যে সেটা বাদামী ভালুককে অন্য প্রজাতির ভালুক যেমন ‘Ursus Americanus’ (মার্কিন কালো ভালুক) থেকে আলাদা করে।

এধরনের নামের নিজস্ব অন্তর্নিহিত মানে রয়েছে, যদিও বেশ কিছু প্রজাতির নাম আসলে প্রায় খামখেয়ালি, যেমন সেই সব নাম যেগুলো রাখা হয়েছে কোনো আবিষ্কারক বা স্থানের নাম অনুযায়ী। হতে পারে যে সেগুলো আধুনিক এবং লাতিন উৎসজাত নয়, কিন্তু তারপরেও সবসময়ই সেগুলোতে একটা লাতিন রূপ থাকবেই। তার একটা উদাহরণ হলো ইংরেজিতে ‘woodsia’ বলে পরিচিত এক দল উদ্ভিদের নাম। এটা হচ্ছে এই উদ্ভিদটিকে যিনি প্রথম শণাক্ত করেছিলেন সেই ব্রিটিশ বোটানিস্ট জোসেফ উডস-এর নামের লাতিন রূপ। উদ্ভিদটির একটি প্রজাতি — ইংরেজিতে যার নাম ‘Rusty’ বা ‘Fragrant woodsia’, সেটির লাতিন নাম ‘Woodsia ilvensis’-এ পরিচিত। নির্দিষ্ট নামটি আসলে একটি বিশেষণ, যার মানে ‘coming from Elba’ — ‘এলবা থেকে আসা বা প্রাপ্ত’; অনুমান করা অসঙ্গত নয় যে সেখানেই সেটিকে প্রথম শনাক্ত করেন তিনি।

এই সব উদাহরণ থেকেই পষ্ট হবে লাতিন নাম কি করে গঠন করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে লাতিন শব্দের সঙ্গে অবশ্যই লাতিন লেজুড় থাকতে হবে। মাঝে মাঝে শব্দগুলোর মূল লাতিন হয়ে থাকে, তবে প্রায়শই সেগুলো গ্রীকই হয়, এবং মাঝে মাঝে যে একেবারে অন্য কোনো ভাষা থেকেও হয় না তা-ও নয়। কখনো কখনো এমনকি দুই একটা শব্দ থাকে যার কোনো মানেই নেই। কিন্তু স্বতন্ত্র শব্দগুলোর উৎস যা-ই হোক, উদ্ভিদবিদ্যা আর প্রাণিবিদ্যার রাজ্যে লাতিন এমন এক ভাষা যা এই নিশ্চয়তা দেয় যে প্রতিশব্দটি সঠিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। লিনীয়াস প্রবর্তিত পদ্ধতিটি এমনই ভালো বলে প্রতিপন্ন হয়েছে যে সেটা যে শুধু টিকেই আছে তা নয়, সেটা নিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে। আমরা দেখেছি লাতিন নাম ব্যবহার করা লিনীয়াসের জন্য ছিল নিতান্তই একটা সাদামাটা ব্যাপার, কারণ তাঁর সময়ে সেটাই ছিল একমাত্র বৈজ্ঞানিক ভাষা। অন্যান্য বিজ্ঞানের কাছ থেকে লাতিন হয়ত উধাও হয়ে যেতে পারে, কিন্তু বিভিন্ন প্রজাতির নামকরণের ক্ষেত্রে লাতিন সম্ভবত আরো বেশ কিছুদিন টিকে থাকছে। এমন কার্যকর আর কিছুই আর নেই এ-ক্ষেত্রে।

 

পরবর্তী অধ্যায়: পদার্থবিদ, রসায়নবিদ এবং অন্যান্যরা [১]

১ Comment (Open | Close)

১ Comment To "লাতিন ভাষার কথা : ৪৫"

#১ Pingback By লাতিন ভাষার কথা : ৪৪ | জি এইচ হাবীব On ২২ জানুয়ারী ২০১৬, friday @ ৭:০৬ অপরাহ্ন

[…] পরবর্তী অধ্যায়: লিনীয়াস ও লাতিন […]